ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে খর্ব হচ্ছে বাকস্বাধীনতা: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

Gary Lucken: 01892 523302 / 07795 831395 92 Culverden Down Tunbridge Wells TN4 9TA Justice Secretary Jack Straw says he is "frustrated" at the way the 1998 Human Rights Act has sometimes been interpreted by the courts and called for a debate about the need for legal responsibilities to balance the rights set out in the Act. Ends...

বাংলাদেশ মেইল ::

বাংলাদেশে দুর্নীতি ও সরকারের করোনাভাইরাস মোকাবেলা নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বাকস্বাধীনতা খর্ব করতে ২০১৮ সালে প্রণীত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিভিন্ন ধারা ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, পুলিশ ও অন্যান্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বিচারবর্হিভূত হত্যকাণ্ড চালিয়েছে। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বেড়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী অধিকারকর্মীরা ধর-পাকড়ের শিকার হয়েছেন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ২০২০ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে ১৪৯টি দেশের মানবাধিকার নিয়ে অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি।

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে সরকারি হিসেবে গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯০০ এর বেশি মামলা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় প্রায় ১ হাজার অভিযুক্ত ও ৩৫৩ জন আটক হয়েছেন। হামলার শিকার হয়েছেন অন্তত ২৪৭ সাংবাদিক। একই সময়ে এই আইনের ১৪৪ ধারা ব্যবহার করে ১৭টি সভা-সমাবেশ বন্ধ করা হয়েছে। পুলিশের হাতে হত্যার শিকার হয়েছেন ২২২ জন। এদের মধ্যে ১৪৯ জন গ্রেপ্তারের পূর্বে ও ৩৯জন গ্রেপ্তারের পরে নিহত হন। অন্যরা নির্যাতন এবং অন্যান্য কারণে প্রাণ হারান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গতবছর নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ৩৯২টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৬২৩টি ধর্ষণের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। ৪৪০ জন নারী ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে ২৮৫টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। ৯৯ জন গণগ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন, ১০৪টি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে, স্থানীয় সংঘর্ষে ৬৯ জন আদিবাসী নিহত হয়েছেন, ৫০ জনকে অপহরণ করা হয়েছে, ৮২টি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।