ফিটনেস নিয়ে কেউ আঙুল তুলতে পারবে না: ধোনি

বাংলাদেশ মেইল ::

প্রায় রান আউট হয়েই যেতেন। কিন্তু উইকেট বাঁচাতে সোজা ডাইভ মারেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ধোনির দারুণ এই ডাইভে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসেও ক্যাপ্টেন কুলের ফিটনেসের কমতি নেই। সোমবার ওয়াংখেড়েতে জয়ের পর ধোনি বললেন, ফিটনেস নিয়ে কেউ তার দিকে আঙুল তুলতে পারবে না।
খুব দ্রুত রান নেয়ার বিষয়ে সুনাম রয়েছে ধোনির। পাশাপাশি উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে এখনও তিনি সাবলীল। সেই সঙ্গে একেবারে ঠাণ্ডা মাথায় তার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বরাবরই অন্যদের চেয়ে তাকে এগিয়ে রাখে।
সোমবার রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে রান আউট হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে সোজা ডাইভ মারেন ধোনি। ৩৯ বছর বয়সেও তার এই ফিটনেস দেখে বিস্মিত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তার ফিটনেস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ধোনি বলেন, ‘বয়স হয়ে যাওয়া আর নিজেকে ফিট রাখা- বিষয় দু’টি আলাদা। আপনি যখন খেলবেন, কখনোই কাউকে এটা বলার সুযোগ দেবেন না যে, আপনি আনফিট। আমাকে ছোটদের মতোই ফিটনেস রাখতে হবে। ওরা খুব ফাস্ট। আর ওদেরকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারাটা ভাল বিষয়।’
গত বছর আইপিএল থেকোই তার পারফরম্যান্সের গ্রাফটা নিম্নমুখী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকেও তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন। এবার আইপিএলেও ধোনি একেবারেই ভাল ছন্দে নেই। আর সেই বিষয়ে তিনি নিজেও অবগত। ধোনি বলেন, ‘২৪ বছর বয়সে আমি কী পারফর্ম করব তার গ্যারান্টি দিতে পারবো না, ৪০ বছরেও পারফরম্যান্স নিয়ে গ্যারান্টি দেয়া সম্ভব নয়। তবে লোকেরা এখনও আমার দিকে আঙুল তুলে বলতে পারে না, আমি আনফিট। আর এটাই আমার কাছে ইতিবাচক।’
নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচ জেতে ৪৫ রানে। তাদের ছুঁড়ে দেয়া ১৮৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪৩ রানে থামে রাজস্থান রয়্যালস।
চেন্নাইয়ে কেউই খুব বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ছোট হলেও কার্যকর ঝড়ো ইনিংষ খেলেন বেশ কয়েকজন। ফাফ ডু প্লেসি ১৭ বলে ৩৩, মঈন আলী ২০ বলে ২৬, আম্বাতি রাইডু ১৭ বলে ২৭, স্যাম কারান ৬ বলে ১৩ ও ডুয়ানো ব্রাভো ৮ বলে অপরাজিত ২০ রান করেন। ধোনির ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ১১৮।
রাজস্থানের বাংলাদেশি তারকা মোস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ৩৭ রানে নেন ১ উইকেট। যদিও প্রথম ওভারেই তিনি পেয়েছিলেন উইকেটের স্বাদ। ব্যাট হাতে ৩৫ বলে ৪৯ রান করেন রাজস্থানের ওপেনার জস বাটলার। অষ্টম উইকেটে রাহুল তেওয়াতিয়া ও জয়দেব উনাদকাট ৪২ রানের জুটিতে কেবল হারের ব্যবধানই কমান।