স্বাস্থ্যবিধি মানাতে নগরজুড়ে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান

বাংলাদেশ মেইল ::

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৬ মামলায় ৪ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন জায়াগায় ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিনব্যাপি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিন নগরীর খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় বিভিন্ন দোকান ও শপিং মলে দোকান মালিক সমিতি ও সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং সচেতনতার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ পতেঙ্গা ইপিজেড ও বন্দর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে ৪ টি মামলায় ৪০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। সচেতনতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমা নগরীর হালিশহর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনিক চান্দগাও ও পাচলাইশ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের সরকারি আদেশ মেনে চলার ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম নগরীর চকবাজার ও বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার ব্যাপারে জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান নগরীর কোতোয়ালি ও সদরঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় সরকারি আদেশ মেনে চলার ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন পাহাড়তলী ও আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ১ টি মামলা দায়ের করে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরজাহান আক্তার সাথী শহরের বন্দর ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ১ টি মামলায় ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে নির্দেশনা প্রদান করেন এছাড়াও জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের পক্ষ হইতে মাস্ক বিতরণ করেন। এছাড়াও সন্ধ্যার পর থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।