প্যারাগুয়েকে ১–০ ব্যবধানে হারিয়ে
কোয়ার্টার ফাইনালে যাবার রাস্তা পরিষ্কার আর্জেন্টিনার

বাংলাদেশ মেইল ::

প্রথম ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। প্যারাগুয়েকে হারাতে পারলেই প্রথম দুইয়ে থাকাটা নিশ্চিত। সেই লক্ষ্য নিয়েই এদিন মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। লক্ষ্যে সফল লিওনেল স্ক্যালোনির দল। প্যারাগুয়েকে ১–০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করল। ৩ ম্যাচে আর্জেন্টিনার পয়েন্ট ৭।

এই মুহূর্তে লিওনেল মেসির পর আর্জেন্টিনাতে সবথেকে বেশি আগ্রহ লাউতারো মার্টিনেজকে ঘিরে। প্রথম দু’‌ম্যাচে চূড়ান্ত ব্যর্থ। একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। নিকোলাস গঞ্জালেসও আগের দুটি ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে এই দুই ফুটবলারে পরিবর্তে অভিজ্ঞ সের্গিও আগুয়েরো ও অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার ওপর ভরসা করেছিইলেন স্ক্যালোনি। তাঁর লক্ষ্য ছিল মেসির সঙ্গে দি মারিয়া ও আগুয়েরোকে সামনে রেখে ত্রিভূজ আক্রমণ তৈরি করা। মাঝমাঠ ও রক্ষণেও দুটি করে পরিবর্তন করেন আর্জেন্টিনা কোচ।

ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার প্রাধান্য ছিল। ৭ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও পেয়েছিল। প্যারাগুয়ের ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে যান আগুয়েরো। গোলকিপারকে একা পেয়েও বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। একমিনিট পরই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এই গোলের কারিগর সেই লিওনেল মেসি। প্যারাগুয়ের অর্ধে বাঁকিকে বল বাড়ান আগুয়েরোকে। আগুয়েরোর বুদ্ধিদীপ্ত পাস থেকে দলকে এগিয়ে দেন আলেজান্দ্রো গোমেজ। ১৫ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে আগুয়েরোকে ফাউল করেন গোমেজ। ফ্রিকিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির ফ্রিকিক অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। প্রথমার্ধের ১৮ মিনিটে গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন মেসি। তাঁর বাঁপায়ের শট পোস্টের পাস ঘেঁসে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে আর্জেন্টিনার একটি গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় ফেরে প্যারাগুয়ে। আর্জেন্টিনার তুলনায় আক্রমণের চাপ বেশি ছিল। মিগুয়েল আলমিরনের নেতৃত্বে বাঁদিক দিয়ে বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। অস্কার রোমেরোও মাঠে নামার পর আক্রমণের ধার বাড়ে। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাবে নিকোলাস টাগলিয়াফো, জার্মান পেজেলারা সজাগ থাকায় বিপদ কিছু হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে আগুয়েরোর পরিবর্তে অ্যাঞ্জেল করেয়া, দি মারিয়ার জায়গায় জোয়াকিন করেয়াকে নামিয়েও গোল সংখ্যা বাড়াতে পারেননি আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। এদিন দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার দিক দিয়ে মাইলস্টোনে পৌঁছলেন মেসি। স্পর্শ করলেন মাসচেরানোকে। মাইলস্টোনের ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ মেসি।