সাকিবহীন মোহামেডানের দারুণ জয়

বাংলাদেশ মেইল::

মাঠের বাইরে সময়টা ভালো কাটছে না মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। বিতর্কে জড়িয়ে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছেন দলের বড় তারকা ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সাকিবের নিষেধাজ্ঞা, আপিল ইত্যাদির মধ্যে আজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) নিজেদের অষ্টম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। তবে মাঠের বাইরের ঝামেলা মাঠের ক্রিকেটকে প্রভাবিত করল কমই। ইরফান শুক্কুরের দারুণ এক ফিফটিতে ডিএল ম্যাথডে ওল্ড ডিওএইচএসকে আজ ৯ রানে হারিয়েছে মোহামেডান।

আট ম্যাচে মোহামেডানের এটা পঞ্চম জয়। এদিকে, লিগের অপর ম্যাচে ফজলে রাব্বির দারুণ এক ইনিংসে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব। অন্য ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ছয় উইকেটে জিতেছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।

রোববার (১৩ জুন) সাভারের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে মোহামেডানের দারুণ জয়ে বড় অবদান ইরফান শুক্কুরের। গত বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ থেকে নতুন করে আলোচনায় আসা বাঁহাতি ব্যাটার ৪২ বলে ৩টি চার ৫টি ছয়ে ৬৮ রানের ঝলমলে একটা ইনিংস খেলেছেন। যাতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়ে আগে ব্যাটিং করতে নামা মোহামেডান। ওপেনার আব্দুল মজিদ করেন ২৯ বলে ২৯ রান। দোলেশ্বরের হয়ে রকিবুল হাসান ৩০ রানে দুই উইকেট নেন।

পরে জবাব দিতে নেমে ওল্ড ডিওএইচএসের ইনিংসের ১৩.৪ ওভারে বৃষ্টির হানা। বৃষ্টি আইনে দলটির নতুন টার্গেট দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১২৫ রান। নির্ধারিত ওভারে শেষ পর্যন্ত তারা ৪ উইকেটে ১১৫ রান তুলতে পেরেছে। যাতে ৯ রানের জয় নিশ্চিত হয়েছে মোহামেডানের। ডিওএইচএসের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। মোহামেডানের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শুভাগত হোম চৌধুরী ২৫ রানে দুটি ও তাসকিন আহমেদ ১৫ রানে একটি উইকেট নিয়েছেন।

অপর ম্যাচে প্রাইম দোলেশ্বরকে ১৩৪ রানের টার্গেট দিয়েছিল পারটেক্স। দলটির হয়ে ২৯ বলে ৪৪ রান করে হাসানুজ্জামান। জবাব দিতে নেমে ১ রানের মাথায় দুই উইকেট হারানো দোলেশ্বরকে জিতিয়েছেন ফজলে রাব্বি। ৫৭ বলে ৭টি চার ৩টি ছয়ে ৭১ রান করেন রাব্বি। ১৯.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৩৬ রান তোলে দোলেশ্বর।

অন্য ম্যাচে সাব্বির রহমানের ৩১ বলে ৪১ ও নাইম ইসলামের ১৯ বলে ৩০ রানের কল্যাণে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তোলে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। শেখ জামাল ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮ ওভারে ১২৭ রান তুললে বৃষ্টি শুরু হয়। পরে আর খেলা শুরু না হওয়াতে ডিএল ম্যাথডে শেখ জামালের ছয় উইকেটের জয় নিশ্চিত হয়।