৬৩ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা
নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,অর্থদণ্ড আদায়

অর্থদণ্ড আদায়
অর্থদণ্ড আদায়

বাংলাদেশ মেইল ::

করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর বিস্তাররোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ প্রতিপালনে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। রবিবার (২৫ জুলাই)দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন, বিআরটিএ,  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মোট ২১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন  ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কালে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট/শপিংমল খোলা রাখা, অপ্রয়োজনে রাস্তায় ঘুরাফেরা করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত রাস্তায় বের হওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ২১৫ টি মামলায় ৬৩ হাজার ৭০০ অর্থদণ্ড করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত ও মনিটরিং কার্যক্রমে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, আনসার,বিজিবি ও পুলিশ সদস্যগণ সার্বিক সহযোগিতা করেন।

নগরীর বন্দর, পতেঙ্গা ও ইপিজেড এলাকায় অভিযান পরিচালনায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  রেজওয়ানা আফরিন।  তিনি ২৪ টি মামলায় মোট ৫০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  উমর ফারুক। এ সময় ৮ টি মামলায় ২৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। পাশাপাশি আকবরশাহ, বায়েজিদ, হালিশহর ও পাহাড়তলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  নূরজাহান আক্তার সাথী। এ সময় ২৪ টি মামলায় মোট ৬৮৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। খুলশী, চাঁন্দগাও ও পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  হুছাইন মুহাম্মদ ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন , এ সময় ২২ টি মামলায় ১১,১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খিন ওয়ানু চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।  এ সময় ১৪ টি মামলায় ৪১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। চান্দগাও, পাচলাইশ ও খুলশী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  মোঃ রাজিব হোসেন ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  প্লাবন কুমার বিশ্বাস।  এ সময় ১০ টি মামলায় ৩৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয় ।
অন্যদিকে নতুনব্রীজ, মইজ্জারটেক এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বিআরটিএ এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার দাস।  তিনি ৮ টি মামলায় ৩৪০ টাকা অর্থদন্ড আদায় করেন। বাকলিয়া, চকবাজার, চান্দগাও, পাচলাইশ, হালিশহর, পাহাড়তলি, লালখান বাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  মারুফা বেগম নেলী।  তিনি ১৩ টি মামলায় ২২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।