পৌনে ২ লাখ ডোজ করোনার টিকা চট্টগ্রামে

বাংলাদেশ মেইল ::

চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে আরও ১ লাখ ৮৪ হাজার ডোজ করোনার টিকা (ভ্যাকসিন)। এরমধ্যে আমেরিকার তৈরি মর্ডানার ২২ কার্টন ও চীনের তৈরি সিনোফার্মের ৯৮ কার্টন করোনার টিকা রয়েছে। এসব করোনার টিকা চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই স্টোরে ওয়াক-ইন-কুলারে (ডব্লিউআইসি) রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ দফায় মর্ডানার ১ লাখ ৫ হাজার ৬০০ ডোজ এবং সিনোফার্মের ৭৮ হাজার ৪০০ ডোজ টিকা এসেছে।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) থেকে করোনা টিকাদান শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালেয়। মর্ডানার টিকা নগরের ৯ কেন্দ্রে ও সিনোফার্মের টিকা উপজেলা পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশনকারীদের দেওয়া হবে। যাদের বয়স ৩৫ বছরের বেশি তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা নিতে পারবেন।

রোববার (১১ জুলাই) সকাল ৭টায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ফ্রিজার ভ্যানে করে আসা মর্ডানা ও সিনোফার্মের মোট ১২০ কার্টন করোনার টিকা বুঝে নেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক সালমা ছিদ্দিকা, জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. হামিদ আলী ও কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান মো. জাফর উল্লাহ। অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) কাজল কান্তি পাল, বেক্সিমকো ফার্মার ইনস্টিটিউশন অফিসার মোহাম্মদ ওয়াহিদ ও সিনিয়র স্টোর ম্যানেজার মোহাম্মদ মহসীন।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় মর্ডানার ভ্যাকসিনের জন্য মোট ৯ কেন্দ্রে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিটি করপোরেশন জেনারেল হাসপাতাল, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), মোস্তফা হাকিম ম্যাটারনিটি হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতাল, সাফা-মোতালেব ম্যাটারনিটি হাসপাতাল, বন্দরটিলা ম্যাটারনিটি হাসপাতাল, বিএনএস পতেঙ্গা ও চট্টগ্রাম বিএএফ জহুর মেডিকেল স্কোয়াড্রন।

তিনি বলেন, আশা করা যাচ্ছে আগামী ১৩ জুলাই থেকে মর্ডানার ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হতে পারে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই শাখায় প্রাপ্ত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন খুব সাবধানতার সঙ্গে ওয়াক-ইন-কুলারে (ডব্লিউআইসি) সংরক্ষণ করা রয়েছে।

উল্লেখ, গত ৩১ জানুয়ারি প্রথম দফায় অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ৪ লাখ ৫৬ হাজার ডোজ, ৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় আরও ৩ লাখ ৬ হাজার ডোজ এবং ১৮ জুন সিনোফার্মের তৈরি ৯১ হাজার ২০০ ডোজ করোনার টিকা চট্টগ্রামে আসে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রামে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।