শিক্ষা উপমন্ত্রীকে অকথ্য গালাগাল রানার

নওশাদ মাহমুদ রানা

বাংলাদেশ মেইল ::

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে  অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অডিওতে কথিত আওয়ামী লীগ নেতা নওশাদ মাহমুদ রানা অকথ্য ভাষা প্রয়োগ করে গালাগাল করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ও তার পরিবারকে।

এই সংক্রান্ত একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সমর্থকরা৷

আলোচিত সেই ফোনালাপটি চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সম্মেলনের আগে বা পরের বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ সেই ফোনালাপে রানা জনৈক ব্যক্তিকে ফোন দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটির বিষয়ে আলাপ করতে শোনা যায়৷ এক পর্যায়ে ফোনালাপের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তিটি বলেন কমিটি নিয়ে যা জটিলতা হচ্ছে তা সাবেক মেয়র আ.জ.ম নাছির ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের কারণেই। সেই অভিও রেকর্ডের নওশাদ মাহমুদ রানার কন্ঠ নিশ্চিত হওয়া গেলেও অপর প্রান্তের ব্যক্তিটিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি জটিলতার জন্য নওফেল ও নাসির জড়িত এই কথা শোনার পর পর নওশাদ মাহমুদ রানা শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের নাম উচ্চারণ করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে । ফোনালাপে শোনা যায় রানা ও তার ভাই স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা পাপ্পুর সাথে নওফেলের কোনো বিরোধ চলছে। রানার ঘনিষ্ঠ একাধিক বন্ধুজন ফোনালাপটি রানার বলে নিশ্চিত করেছেন৷

তবে এই বিষয়ে জানতে নওশাদ মাহমুদ রানার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল কেটে দিয়েছেন ৷

উল্লেখ্য ইতিপূর্বে রাজধানীর এক কলেজ ছাত্রীর সাথে মধ্যবয়ষ্ক নওশাদ মাহমুদ রানার অশ্লীল ফোনালাপ ফাঁস হয়। এরপর চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিমকে নিয়ে গালাগালের অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ।

একের পর এক রানার এমন কতাবার্তা তার মানসিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে৷ কেবল মাত্র একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে এখন পর্যান্ত তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা কেউ না নিলেও এবারের এই অডিও রেকর্ড শুনে সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী বেশ কয়েকজন ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এই বিষয়ে নওশাদ মাহমুদ রানার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হতে পারে বলেও বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়৷

এর আগে গত বছরের ১৬ অক্টোবর সাইফুল ইসলাম নামের এক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীকে অপহরন করার অভিযোগ উঠে কথিত এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। পরে গণমাধ্যম ও পুলিশ  তৎপর হলে সাইফুলকে চোখ বেঁধে ছেড়ে দেয়া হয়।