সেজান জুস কারখানায় কত শিশু কর্মরত ছিল খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    সেজান জুস কারখানায়

    বাংলাদেশ মেইল ::

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আগুন লাগা হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের সেজান জুস কারখানায়  কতজন শিশু কর্মরত ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রূপগঞ্জের ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে অগ্নিকাণ্ডে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ শতাধিক শ্রমিক পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা বাবদ ঈদ উপহার প্রদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব মহাপরিচালক সেজান জুস কারখানায় জানান।

    তিনি জানান, সেজান জুস কারখানাসহ দেশের সকল শিল্প কারখানায় শিশুশ্রম বন্ধে র‌্যাবের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে শ্রম অধিদপ্তরকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।এ সময় আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও খোঁজ-খবর র‌্যাব মহাপরিচালক।
    অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজের ব্যাপারে র‌্যাবের কাছে কোনো তথ্য আছে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহের ডিএনএ পরীক্ষা চলছে। এটা শেষ হতে সময় লাগবে। ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর কেউ নিখোঁজ আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এছাড়া এ ঘটনায় গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটির তদন্ত শেষ হলে তাদের প্রতিবেদনে সবকিছু পরিষ্কার হবে।
    র‌্যাব মহাপরিচালক জানান, দেশে মাদক উদ্ধার, জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারসহ নানা ক্ষেত্রে র‌্যাবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে র‌্যাব নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল একে আজাদ, র‌্যাব মিডিয়া উয়ংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মইন উদ্দিন, র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।