পাহাড় কাটার দায়ে দুই ব্যক্তিকে  ১২ লাখ টাকা জরিমানা

পাহার কাটার

 বাংলাদেশ মেইল::

পাহাড় কাটার দায়ে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার চন্দ্রনগর এলাকায় ‘পাহাড়খেকো’ হিসেবে পরিচিত দুই ব্যক্তিকে  ১২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদফতর।সোমবার (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নুরী তাদের জন্য এই ক্ষতিপূরণ ধার্য করেন।

পাহাড় কাটায় অভিযুক্ত দু’জন হলেন- মো. বাহার উদ্দিন ও মো. সামশুদ্দীন বাদল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাহার নিজেকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেন। সামশুদ্দীন বাদলও এলাকায় বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়া পরিবেশ অধিদফতরের পরিদর্শক মনির আহমেদ বলেন, ‘বাহার চন্দ্রনগর পাহাড়ে একটি খামারের দারোয়ান ছিল। পাহাড় কেটে প্লট বানিয়ে বিক্রি করে সে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক বলে শুনেছি। সামশুদ্দীন বাদলও একইভাবে পাহাড় কেটে কোটিপতি হয়েছেন। তারা চন্দ্রনগর এলাকায় বিশাল পাহাড়ি এলাকা নিজেদের দখলে রেখেছেন। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাহাড় কাটার প্রমাণ পেয়ে তাদের নোটিশ দিয়ে আসি।’

পরিবেশ অধিদফতর, চট্টগ্রাম মহানগরের উপ-পরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক জানিয়েছেন, পাহাড় কাটার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পর দু’জনকে ছয় লাখ টাকা করে মোট ১২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন হাটহাজারীর নন্দীরহাট এলাকায় কায়ছার এন্টারপ্রাইজ নামে একটি সাবান কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরিদর্শক মনির আহমেদ সারাবাংলাকে জানিয়েছেন, পরিবেশ ছাড়পত্র না নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চুল্লি বসিয়ে কারখানার দ্বিতীয় ইউনিট চালু করায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।