চট্টগ্রামে আরও এক ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত

ফাঙ্গাস
বাংলাদেশ মেইল::

চট্টগ্রামে আরও এক ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। করোনা আক্রান্ত না হয়েও ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী মিউকরমাইকোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে ৩ জনের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস পাওয়া গেলো।

শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সুযত পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।ডা. সুযত পাল বলেন, ওই নারী কোভিড আক্রান্ত না হয়েও তার শরীরের মিউকরমাইকোসিস শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে মেডিসিন বিভাগের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার অতিরিক্ত ডায়াবেটিস রয়েছে।

জানা যায়, গত বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হালিশহরের বাসিন্দা এই নারী চমেক হাসপাতালে অতিরিক্ত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন। কিন্তু পরবর্তীতে ওই নারীর মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপসর্গ দেখে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ডাক্তাররা নিশ্চিত হন তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত।

গত ২৮ জুলাই চট্টগ্রামের প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে শনাক্ত হয় পটিয়ার বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী এক নারী। এর আগে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে করোনামুক্ত হন গত ১৫ জুলাই। তবে এরপর তার দাঁতের ইনফেকশন দেখা দেয়ায় তাকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুদিন পরে তার চোখে ইনফেকশন দেখা দেয়। পরে গত ২৫ জুলাই ওই নারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর গত ৬ আগস্ট চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে শনাক্ত হয় ৪০ বছর বয়সী এক পুরুষ। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। কর্ণফুলী উপজেলার বাসিন্দা ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী এ রোগী করোনার দুই ডোজ টিকা দিয়েছেন এবং আগে কখনও করোনা আক্রান্তও হননি। তবে আগে থেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও অ্যাজমার জটিলতা ছিল রোগীর। মুখের এক পাশে দাঁতের ব্যথাজনিত জটিলতায় তাকে প্রথমে চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়।

ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ২৫ জুলাই চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর মুখের একপাশ ফুলে যায় তার। এ অবস্থায় নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ৬ আগস্ট জানা যায় রোগী ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।