নাদেলের নির্দেশে আন্দোলনরত শাবি শিক্ষার্থীদের পাশে ওসমানি মেডিকেল ছাত্রলীগ

বাংলাদেশ মেইলঃ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল’র নির্দেশে এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি নাঈম হাসানের সহযোগিতায় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ডাঃ মঞ্জুর মোর্শেদ অসীম’র তত্ত্বাবধানে শাবি তে আন্দোলনরত অনশনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়েছে ওসমানি হাসপাতাল ছাত্রলীগ। অসুস্থ হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে ছাত্রলীগের টিমটি।

ওসমানি মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান বলেন, আমরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এর নির্দেশনায় এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি নাঈম হাসানের সহযোগিতায় শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনশরত অসুস্থ শক্ষার্থীদের সেবায় আমাদের ৫ জন করে ২ টি টিম কাজ করছে।

ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও সিলেট ওসমানী মেডিকেল ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সাফওয়ান মুন্তাকিম বলেন, শাবি’র আন্দোলনরত অনশনরত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রলীগের মেডিকেল টিম আছে। অনশনরত শিক্ষার্থীদের অধিকাংশকে স্যালাইন দেয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে অবস্থা গুরুতর হলে আমরা মেডিকেলে পাঠাচ্ছি।

উল্লেখ্য, শাবির বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্টের অসদাচরণের প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই হলের ছাত্রীদের মাধ্যমে সূচিত হয় আন্দোলন। গত শনিবার আন্দোলনরতদের ওপর ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে নতুন মাত্রা পায় আন্দোলন। হলের প্রভোস্টের অপসারণ, অব্যবস্থপনা দূর, ছাত্রলীগের হামলার বিচার চেয়ে পরদিন রবিবার সকল শিক্ষার্থী আন্দোলনে সামিল হন। সেদিন উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। তাকে মুক্ত করতে অ্যাকশনে যায় পুলিশ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাঁধে সংঘর্ষ। এতে শিক্ষার্থীসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। পরে উত্তুঙ্গে ওঠে আন্দোলন।

এদিকে, গত রবিবার পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষের ঘটনায় দুই থেকে তিনশ’ অজ্ঞাত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলার এজাহারে পুলিশ লিখেছে, সেদিন শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর গুলিও ছুঁড়েছিল। এ মামলা প্রত্যাহারে আলটিমেটাম দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত ছিল শাবি ক্যাম্পাস। সকাল থেকে ক্যাম্পাসের গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের অপসারণ, প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগানে দিনভর মুখর ছিল ক্যাম্পাস। এ সময় কিছু সংখ্যক পুলিশ সদস্যকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।