প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করলে জরিমানা

অ্যান্টিবায়োটিক
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. ইউসুফ বলেছেন, প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করলে ২০ হাজার টাকা জরিমানার আইন প্রস্তাব করা হয়েছে।বাংলাদেশে চলমান অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেসিস্ট্যান্স (এএমআর) পরিস্থিতি ও এএমইউ ট্রেন্ডস শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ঔষুধ প্রশাসন অধিদফতরের (ডিজিডিএ) মহাপরিচালক এ কথা বলেন।

বুধবার (১৮ মে) রাজধানীর বনানীতে হোটেল ওয়েস্টিনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।অনুষ্ঠানে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সাবরিনা ইয়াছমিন বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিক চিহ্নিতকরণ সহজ করতে এবার মোড়ক (প্যাকেট) বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) ও ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর জানুয়ারিতে এক সভায় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের লেবেলে লাল চিহ্ন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এটি অনুমোদনও দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ ও পশু দুই ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধে এ চিহ্ন ব্যবহার করা হবে। অনেক কোম্পানি বর্তমানে তাদের ওষুধের লেভেলে এ চিহ্ন ব্যবহার করছে।’অনুষ্ঠানে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর (ডিজিডিএ) এবং সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ (আইইডিসিআর) কয়েকটি সংস্থা বিভিন্ন গবেষণা তুলে ধরে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির, রোগ নিয়ন্ত্রণ (সংক্রামক) শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।