মিতু হত্যা মামলার আলোচিত আসামাী
সেই ভোলার বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

বাংলাদেশ মেইল :::

পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামী এহতেশামুল হক ভোলার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে চট্টগ্রামের কল্পলোক আবাসিক এলাকার জনৈক ‘শাহজাহান ‘। জোরপূর্বক ব্ল্যান্ক চেক নেবার কথা উল্লেখ করে সিএমপি কমিশনার বরাবর এই অভিযোগ করা হয়েছে মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর)।

ঘটনার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বাকলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হলেও ; বিবাদী হিসেবে ভোলার নাম লেখা হয়েছে।

লিখিত  অভিযোগে শাহজাহান দাবি করেন, তিনি কল্পলোক আবাসিক এলাকায় একটি জমি ক্রয় করেছিলেন, এই জমিটি পরে সিডিএ’র অধিগ্রহণের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়৷ সোমবার দুপুরে কল্পলোক আবাসিক এলাকায় নিজের জমি সার্ভেয়ার দিয়ে মাপতে গেলে ভোলা অস্ত্রের মুখে রাজাখালীর একটি গুদামে ধরে নিয়ে যায়। সন্তাসী এহতেশামুল হক ভোলা সেখানে নিয়ে তাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে পাঁচটি ব্ল্যান্ক চেক নিয়েছেন। ‘

ঘটনাস্থলে মর সিসিটিভি ফুটেজে সব প্রমাণ রয়েছে দাবি করে শাহজাহান জানান, ভোলার সাথে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে। তারা বিভিন্ন অপকর্মে ‘ভোলা’ কে ব্যবহার করেন। পুলিশের কোন সহযোগিতা পাই নি। ‘

লিখিত অভিযোগে শাহজানের দাবি, ভোলার আস্তানা থেকে স্ত্রী স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে যান সন্ধ্যায়। এরপর দফায় দফায় বাকলিয়া থানার কর্মকর্তার কাছে সহযোগিতা চেয়েও কোন আইনী সহযোগিতা পান নি। ‘

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রী খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদি হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই মামলায় ২০১৬ সালের ২৭ জুন নগরীর বাকলিয়া এলাকা থেকে মিতু হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলিসহ এহতেশামুল হক ভোলা ও তার সহযোগী মো. মনিরকে গ্রেফতার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর জামিনে কারামুক্তি পান এহতেশামুল হক। পরে ১৬৪ ধারায় বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিলেও ভোলার কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়েছে বলে দাবি করে তিনি সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেন।