খুলনার গণসমাবেশে আসার পথে হামলায় আহত বিএনপি নেতার মৃত্যু

বিএনপি নেতার মৃত্যু
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান বলেন, খুলনার গণসমাবেশ ভন্ডুল করতে গণপরিবহন বন্ধসহ নানা ষড়যন্ত্রে সফল হতে না পেরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা বিএনপির নেতা–কর্মীদের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়েছিলেন। ওই দিন গণসমাবেশে আসার পথে ফুলতলার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা সাজ্জাদুর রহমানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে তাঁর মাথায় ১২টি সেলাই দেন চিকিৎসকেরা। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর বাড়িতে ফিরলে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা তাঁকে আবার মারধর করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাতে তিনি মারা গেছেন। শুক্রবার আসরের নামাজের পর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সাজ্জাদুর রহমানের জানাজায় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এস এম শফিকুল আলম, সদস্যসচিব মো. শফিকুল আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, বিএনপির নেতা শেখ আবু হোসেন, গাজী আবদুল হক, এস এ রহমান, ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল বাসার, বিএনপির নেতা হাসনাত রিজভী, আবদুস সালাম, আনোয়ার হোসেন, পারভেজ ভূঁইয়া, আবদুল হালিমসহ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিএনপির নেতা সাজ্জাদুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতারা। শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান স্বৈরাচার সরকার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে বিএনপি নেতা সাজ্জাদুর রহমানকে হত্যা করেছে। খুলনার মাটিতেই একদিন এ হত্যার বিচার হবে। যাঁরাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

বিবৃতিদাতারা হলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব শফিকুল আলম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান, মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হোসেন প্রমুখ।

দলীয় সূত্র জানায়, সাজ্জাদুর রহমানের হত্যার প্রতিবাদে আগামী ২৮ নভেম্বর বেলা তিনটায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।