ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস, চট্টগ্রাম দূতাবাসের বর্ণাঢ্য আয়োজন

বাংলাদেশ মেইল ::

ভারতের ৭৪ তম  প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করেছে চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় দূতাবাস।   বৃহস্পতিবার রাতে নগরের অভিজাত হোটেল রেডিশন ব্লুর মেজবান হলে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।

৭৪ তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান সহকারী হাইকমিশনার ডাঃ রাজিব রঞ্জন। তিনি বলেন, ‘ভারত ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি গণতান্ত্রিক, প্রজাতান্ত্রিক ও সার্বভৌম এক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে ভারত। ‘

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, ‘ ভারত ও বাংলাদেশের সৌহার্দপূর্ণ  সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য সেই সম্পর্কের ভিতকে মজবুত করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে প্রতিটি দূর্যোগ সংকটে ভারতের সহযোগিতা জাতি আজীবন স্মরণ করবে।  ‘

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরী, এম এ লতিফ এমপি, নজরুল ইসলাম এমপি, চট্টগ্রাম শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুল আলম, দূতাবাসের সেকেন্ড কনস্যুলেট ওদুদ জোহা। অনুষ্ঠানে গান নৃত্য, আবৃতিসহ  মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন ভারত ও বাংলাদেশের শিল্পীরা ।

অনুষ্ঠানে যোগ দেন চসিকের সাবেক প্রশাসক ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি  খোরশেদ আলম সুজন ,  সংরক্ষিত আসনের এমপি  খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ সালাম, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন রেজা।

এই উপলক্ষে চট্টগ্রামের ভারতীয় দূতাবাসের ভবন  সাজানো হয়েছে বর্ণাঢ্য  সাজে । ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসও সুধি সমাবেশের আয়োজন করেছে। এ উপলক্ষে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্যদিয়ে রাজধানী নয়াদিল্লিতে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৫০ সালের এ দিনে ভারতীয় গণপরিষদে সংবিধান কার্যকরী হলে দেশটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে রাজকীয় মহড়ার মাঝে, ভারতে পা রেখেছেন প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফতেহ এল-সিসি। এবারের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি ছিলেন  মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

ঐতিহ্য ধরে রেখে বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ভারতে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর জাতীয় সঙ্গীত ও ২১টি তোপধ্বনির পর কুচকাওয়াজ শুরু হয়।রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ পরিদর্শনের সঙ্গে কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।