চট্টগ্রাম -১৬
নৌকার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের গুজব বাঁশখালীতে

বাঁশখালীর একটি কেন্দ্রের বুথে ঈগলের দুই এজেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক :::

বাঁশখালী ( চট্টগ্রাম -১৬) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানের প্রার্থীতা বাতিলের গুন্জন উঠেছে। ভোটের মাঠে সকাল থেকে এখন কানাঘুষা শোনা গেলেও দুপুর একটার পর  গুজবে ডালপালা মেলে । তবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সাথে কথা বলে এমন তথ্যের সত্যতা মেলে নি।

মনোনয়ন বাতিলের খবর গুজব ছাড়া আর কিছু নয় জানিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল গফুর বলেন, ‘ ভোটের মাঠে অনেক গুজব ছড়ানো হবে। ভোটের দিন মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে এমন প্রশ্ন করাও অবাস্তব। ‘

মনোনয়ন ফর্ম জমা দেবার পর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মারধর কিল-ঘুষি মারার অভিযোগ উঠে মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হারুন মোল্লা  চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

ভোটের দশদিন আগে একটি গণমাধ্যমে মোস্তাফিজুর রহমানের মনোনয়ন বাতিলের খবরও প্রকাশ করেছিলো। তবে শেষমেশ সেই খবর সত্য হয় নি। নির্বাচন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের একটি সুত্র বৃহস্পতিবার  জানিয়েছে, ভোটের দিনই মোস্তাফিজুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করতে পারে। নির্বাচনের আগে মনোনয়ন বাতিল করা হলে ভোটার উপস্থিতি কমে যেতে পারে এমন আশংকা থেকে নৌকার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত ফাইল চাপা দেয়া হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে বাঁশখালী আসনে দশ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  তবে ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী এবং নৌকার প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে- ভোট কেন্দ্রের হাওয়া এমন তথ্যই জানান দিচ্ছে। বিএনপির জামাত অধ্যুষিত  এলাকা হিসেবে খ্যাত চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এবার বিএনপি সমর্থকদের সহানুভূতি যে দিকে যাবে – সেই প্রার্থীই বিজয়ের মুকুট পড়বেন। ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ব্যবসায়ী ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মুজিবুর রহমান। তার প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ দিন থেকে শীর্ষ পর্যায়ে চাকরি করছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র  কামরুল ইসলাম হোসাইনী। এই বিষয়টিকে ভোটের মাঠের বড় সুবিধা হিসেবে দেখছেন সাধারণ ভোটাররা।

সকাল দশটা পর্যন্ত ভোট কাস্টিং এর হার খুবই কম। নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বলছেন সকাল আটটা থেকে দশটা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার  সাথে সাথে সেই সংখ্যা বেড়ে যাবে।

বা.মে/সিপি